০৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে সর্তা নদীতে এসি ল্যান্ডের অভিযান: ৩ ড্রেজার ও ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম :
 চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম ও ধর্মপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খিরাম সর্তা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (শনিবার) ভোর ৫:০০ টা থেকে সকাল ৯:৩০ টা পর্যন্ত সর্তা নদীর আন্ধারমানিক ও ফুলতলি পয়েন্টে এই অভিযান চালানো হয়। ফটিকছড়ি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহমত উল্লাহ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সহযোগিতায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে এই টাস্কফোর্স অভিযান চালানো হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ৩টি ড্রেজার মেশিন এবং প্রায় ২০০০ ফুট পাইপ বিকল ও বিনষ্ট করা হয়। একই সাথে নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত প্রায় ২০,০০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ বালু পরবর্তীতে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত জব্দকৃত বালু স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহমত উল্লাহ জানান, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন  চট্টগ্রামে বাড়ছে নগরীর ব্যস্ততা, যানজট নিরসনে নতুন উদ্যোগ
Tag :
জনপ্রিয়

ফটিকছড়ি র নাজিরহাটে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, ১০ দিনের কারাদণ্ড

ফটিকছড়িতে সর্তা নদীতে এসি ল্যান্ডের অভিযান: ৩ ড্রেজার ও ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

আপডেটের সময় : ০৪:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম :
 চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম ও ধর্মপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খিরাম সর্তা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (শনিবার) ভোর ৫:০০ টা থেকে সকাল ৯:৩০ টা পর্যন্ত সর্তা নদীর আন্ধারমানিক ও ফুলতলি পয়েন্টে এই অভিযান চালানো হয়। ফটিকছড়ি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহমত উল্লাহ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সহযোগিতায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে এই টাস্কফোর্স অভিযান চালানো হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ৩টি ড্রেজার মেশিন এবং প্রায় ২০০০ ফুট পাইপ বিকল ও বিনষ্ট করা হয়। একই সাথে নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত প্রায় ২০,০০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ বালু পরবর্তীতে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত জব্দকৃত বালু স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহমত উল্লাহ জানান, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন  কুমিল্লায় ১,২৫০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-৩, পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার-৯