
মোঃ রুবেল বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের মঈন উদ্দীন জমিদার বাড়ী সমাজ ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে পবিত্র জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম ও আজিমুশশান সুন্নি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ মাহফিলে সাজেদা-আনোয়ার ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও আমেরিকা প্রবাসী মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী মুহাম্মদ বাহাদুর আলম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও দানবীর মুহাম্মদ এমদাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও কাতার প্রবাসী মুহাম্মদ ইরফান উদ্দীন।
মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন, বিশিষ্ট আলেমেদীন ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য হযরতুলহাজ আল্লামা মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান খাঁন আবেদী আলকাদেরী (মা.জি.আ.)।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হযরত মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ হাসান উদ্দীন হোসাইন আজহারী এবং উত্তর পাইন্দং হযরত শাহ আব্দুল মালেক আল কুতুবী (রহ.) দাখিল মাদ্রাসার সুপার হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিকী।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান।
মাহফিলে বক্তারা পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবন, আদর্শ, চরিত্র ও মানবতার শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ করলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, ইসলাম শান্তি, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির শিক্ষা দেয়। সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করে পারস্পরিক ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
আলোচনায় মহানবী (সা.)-এর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, দরুদ ও সালামের গুরুত্ব এবং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বক্তারা মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
পরে মিলাদ, কিয়াম ও দরুদ-সালাম অনুষ্ঠিত হয়। দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং এলাকার শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।
মাহফিলে স্থানীয় আলেম-ওলামা, মুসল্লি, ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 


















